সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কএ চাকরি মেলা --বাস্তবতা

যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে গতকাল অর্থাৎ ৫ অক্টোবর ছিল দিনব্যাপী চাকরি মেলা। মেলায় ৩১টি প্রতিষ্ঠান জনবল বাছাই করবে বলে আগে থেকেই শক্ত প্রচারণা চালানো হয়। স্পট ভাইভা হবে বলেও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম থেকে জেনেছিলাম। এ ছাড়া সেমিনার বা চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে এমনটিও শুনেছিলাম। আমরা দুইটি সেমিনারেই অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেমিনার কক্ষের ধারণ ক্ষমতা ছিল সর্বোচ্চ ৫০০ জনের মত (কমই হবে বোধ করি)। প্রায় ২০ হাজার চাকরি প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা পড়েছে। তার মানে, ২০ হাজারের অধিক মানুষ পার্ক প্রঙ্গণে উপস্থিত থাকবে সেটা ধরে নেওয়া চলে। অর্থাৎ, ১৯হাজার ৫শ জনই সেমিনারের সুবিধাটা পায়নি। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাহেব সকাল সাড়ে নয়টায় চাকরি মেলাটির উদ্বোধন করেন। পরে সেমিনার দুটিতে মাইক কাজী, মুস্তফা জব্বার স্যার এবং সোলাইমান শোকন এর মত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা সেমিনারে অংশ নেওয়া চাকরি প্রার্থীদের অনুপ্রাণিত করেছে। বাদবাকি মানুষগুলো এসুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, হতাশ হয়ে ফিরে গেছে-- যেটা খুবই দুঃখ জনক।…
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

তোমায় ছোঁব || গীতি কবিতা

সুযোগ পেলে অনুভবে
আজকে রাধা তোমায় ছোঁব
বনফুলের বেণি করে
ও খোঁপায় পরিয়ে দেবো।।

বাঞ্ছা করি ও রাইধনী
প্রেম সোহাগের শিরোমনি
ইচ্ছাময়ীর ইচ্ছা হলেই
প্রেম যমুনায় তোমায় পাবো।

আজকে প্রথম চোখেচোখে
কথা হবে নিত্যলোকে
মন দিয়ে আজ রাখবো বেঁধে
ও মন রাজ্যের রাজা হবো।।

তোমায় ছোঁব || গীতি কবিতা
০২/০৮/২০১৭

যোদ্ধা || গীতি কবিতা

তুই রক্ত চুষে নে আমার রক্ত চুষে নে
এক চুমুকে শেষ করে ফেল দেরি করিস নে।।
রক্তে আমার আগুণ আছে ভীষণ তাতে তেজ
তরুণ আলোর ঝলকানি আর স্বপ্ন অনিমেষ
করলে দেরি পড়বি ফ্যারে জিততে পারবি নে।।
ভালো হবার সময় তোদের গেছে চলে আগেই
এখন শুধু রক্তখেলা লাগবি মায়ের ভোগেই
সত্যিই যদি সত্য সৎএর জয়ের শক্তি থাকে
রণাঙ্গনেই হবে দেখা জানিয়ে দিলাম তোকে
আমার রক্তে আসে বিজয়, যোদ্ধা চিনিস নে (!)।।
যোদ্ধা || গীতি কবিতা
০৪/০৮/২০১৭

রক্তদান মহৎ দান

রক্তদান একটি মহৎ দান। রক্তদানের মত এরুপ পবিত্র দানগুলো মানুষকে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী ও মহৎ প্রাণ হতে অনুপ্রেরণা যোগায়। আর যিনি রক্ত গ্রহণ করেন তিনি ফিরে পান সুস্থ জীবন। এটা সত্যিই অনেক সুখের, আনন্দের।
বেশিরভাগ মানুষই রক্তদানের সংখ্যা প্রকাশ করতে যেয়ে বলে, "আমি ১১ বার রক্ত দিয়েছি বা ৬ষ্ঠ বারের মত রক্ত দিলাম, ইত্যাদি"। এই সংখ্যা প্রকাশের বিষয়টি অন্য সম্ভাব্য রক্তদাতাদের অনুপ্রেরিত করে। আবার যারা অল্প কয়েকবার রক্ত দিয়েছেন তাঁদের আরো দান করতে উৎসাহিত করে।
কিন্তু আমি এটার বিপক্ষে অবস্থান নিলাম। প্রথমত, যেটা আমি দান করেছি সেটা নিঃস্বার্থ ভাবেই করেছি। সেখানে আমার প্রতিদান পাওয়ার কোন ইচ্ছা কেন থাকবে! আর যেটা দান করলাম সেটা সংখ্যায় গুনে রাখলেও একটা অহং জন্ম নিতে পারে।
দ্বিতীয়ত, আমি আমার রক্তদানের ক্রম/সংখ্যা ভুলে গেছি। চেষ্টা করলাম অনেক স্মরণ করার, কিন্তু ব্যর্থ হলাম।
তৃতীয়ত ও সর্বশেষ, আমার জন্মদাতা এবং জন্মদাত্রী যদি জানতে পারে যে, "আমি প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত দিয়ে ফেলেছি" -তবে তাহাদিগের মস্তকে আকাশ ভাঙ্গিয়া ঝপঝপ করিয়া ঝরিয়া পড়িবে। তাহাদিগের কিঞ্চিত দুঃখেরও কারণ…

বন্ধুকাব্য

ইচ্ছে হলে তুই আকাশ হতে পারতিস,
তোর আকাশে থাকতে পারতো উজ্জ্বল সূর্য,
সাদা মেঘ কিংবা চাঁদ তারকার মেলা।
দস্যি ছেলের রঙ্গিন ঘুড়ি এলোমেলো
ঝড়ো হাওয়ায় ডাক দুপুরে তপ্ত রোদে,
হতে পারতিস আপন ভুলা বাউল কবি।
হতে পারতি সবুজরঙের একটি গ্রাম
অনায়াসে চাইতি যদি মন দিয়ে তা,
পাখপাখালির সঙ্গেসঙ্গে উড়তে পারতিস
সীমানা হীন যখন তখন যেথায় সেথায়।
হতে পারতিস দেশ সেরা কেউ, বিশ্বজয়ী;
গর্বে বাবার দুচোখ বেয়ে জল ঝরতো।
অত কিছু না বুঝে মা, বাবার কাছে প্রশ্ন করত।
হতে পারতিস উত্তরপত্র, ডান-বামেদের আদর্শ
মন কাপানো, মাঠ কাপানো অরুণ ভাষণ।
হতে পারতিস এক পৃথিবী সুখের কারণ,
আর দুঃখ ব্যথার মহৌষধী ঝান্ডুবাম।
হতে পারতিস দিগ্বিজয়ী সন্ন্যাসী এক
মন জগতে ভালোবাসার বিষুবরেখা।
কিন্তু এতকিছু থাকতেও তুই কিছুই হসনি,
কেবল 'তুই' হয়েই আছিস সারাটা সময়, সব সময়।
ওসব তুই এখনও হবি, তোর পাশেতো আমি আছি
তুই থাকবি জনম জনম, তুই থাকবি বারোমাসই।
বন্ধুকাব্য ||
০৬/০৮/২০১৭
(বন্ধু দিবস উপলক্ষে)

ভবদহের সুমন || অনুগল্প

প্রতিবছরের মত এবারও ভবদহ এলাকার বসতবাড়ি জলের নিচে; গাছপালা, চাষেরজমি সবখানেই জল আর জল। এলাকাজুড়ে শুধু হাহাকার, কষ্টের সুর। শুধু মানুষ নয়, পশুপাখিরাও আছে কঠিন বিপদে। খাদ্য এবং বাসস্থানের অভাবে জীবন যায় যায় অবস্থা সকলের। কয়েকদিন হল সুমনদের বাড়ির মেঝেও জলের নিচে। দুইটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানকে নিয়ে মহাঝামেলায় আছে সে, সকাল থেকেই সুমন রাস্তার পাশে একটা কুড়েঘর তৈরির চেষ্টা করছে, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে রাতগুলো নিরাপদে কাটানোর জন্যই এ আয়োজন। শুধুমাত্র এই রাস্তাটাই ডুবতে বাকি। আশঙ্কা আছে ক্ষতি গতবারের চেয়েও বেশি হবে, টুকটাক বৃষ্টিও হচ্ছে। সবার মনেই চিরচেনা দুঃখ, নিরাময়ের বাসনা এখানে পাঁচ তারকা বিলাসিতা।
এলাকার বড় নেতা দলবলসহ ডুবা এলাকা সরেজমিন পরিদর্শনে এসেছে। নেতার উপস্থিততে এলাকার কিছু উৎসাহী মানুষও সঙ্গে জুটেছে। সুমনেরও যাওয়ার কথা ছিল, নেতার সাথে তাঁর সম্পর্কটাও বেশ পুরাতন। সকালে বউয়ের সাথে এক ঝটিকা বকাবকি হয়ে গেছে, তাতে আবার পেটে পড়েছে পান্তা ভাত আর বাসি আলুরদম, মন খুব একটা ভালো নেই। সুমন দেখেও না দেখার ভান করে কাজ করতে থাকে এই পরিদর্শন টিমকে।
"কিরে সুমন, কি করিস?" নেতার প্…

আমাদের ভাবনার বাইরেও রয়েছে বিস্তৃত পৃথিবী